দুর্জয় শাওন

সেনহাটি, দিঘলিয়া ,খুলনা

বাংলাদেশ


০১৯৪৫৭৩১১০০
durjoysawon@gmail.com

Mo - Fr ( from 9:00am to 5:00pm )

খুলনার আদীকথা

খুলনা জেলা শহর হলেও এখানে বেশীদিন আগে জনবসতি গড়ে ওঠেনি। মুলতঃ সুন্দরবনের জঙ্গল কেটে রূপসা ও ভৈরব নদীর পাড়ে জনবসতি গড়ে ওঠে। মূল শহর থেকে কিছুটা দূরে ভৈরব নদীর অপর পাড়ে সেনহাটিতে খুলনার প্রথম জনবসতি গড়ে ওঠে বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। ১৮৬৯ সালের ১ এপ্রিল খুলনার প্রথম মিউনিসিপ্যালিটি স্থাপন করা হয় সাতক্ষীরাতে। দ্বিতীয় মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় ১৮৭৬ সালে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটায়। তবে ১৯৫৫ সালে সেটি বাতিল হয়ে ইউনিয়ন বোর্ডে পরিণত হয়। জেলার তৃতীয় মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় ১৮৮৪ সালে খুলনা শহরে। এর দুই বছর পর ১৮৮৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর মিউনিসিপ্যালিটির দ্বিতীয় সভায় ভাইস চেয়ারম্যান বাবু কৈলাশচন্দ্র কাঞ্জিলালের বাড়ি সত্যচরণ হাউসে সাময়িক ব্যবস্থা হিসাবে মিউনিসিপ্যালিটির অফিস স্থাপন করা হয়। এখান থেকেই মূলত পরিচালিত হতো শহরের প্রশাসনিক কর্মকান্ড। আজ আর সে ভবনের অস্তিত্ব না থাকলেও অনেকের মতে ভবনটি বর্তমান পৌর ভবনের সন্নিকটে ছিল। খুলনা মিউনিসিপ্যালিটির জন্ম বৃত্তান্ত খুঁজতে গিয়ে একশ' বছর আগের একটি গেজেট থেকে জানা যায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাংলার লেফটেন্যান্ট-গবর্নর ১৮৭৬ সালের একযাক্ট, ৫(বিসি) এর ৮নং ধারা মতে ১৮৮৪ সালের ১ জুলাই থেকে কয়লাঘাট ও হিলাতলা (হেলাতলা)সহ খুলনা, বানিয়াখামার, টুটপাড়া, গোবরচাকাসহ শিখপাড়া (শেখপাড়া), নুরনাগুর (নুরনগর), চারাবাটিসহ শিববাটি, বারিয়াপাড়াসহ ছোট বয়রা গ্রামসমূহ নিয়ে খুলনাকে ২য় শ্রেণীর মিউনিসিপ্যালিটি করার জন্য ১৮৮৪ সালের ১৮ মে এক বিজ্ঞপ্তি জারী করেন। ঐ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এক মাসের মধ্যে গ্রহণযোগ্য আপত্তি উত্থাপিত না হলে, প্রস্তাব কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়।



খুলনা আমার অহংকার

Home  /  Contact
© Copyright 2016. khulna.com